• We are living in a very tough and aggressive decade in the entire history of the modern world. The whole world is suffering for Environment Pollution, Caste Discrimination, Religion Division, Aggression policy for being Super Power, Corruption, Illegal Business. Now Every specific continent has it’s own specific problems. But today I am sharing my feeling specially for this Subcontinent(The Greater India). I am really a great fan of Indian Constitution. Though it is one of the most diverse and complex constitution in the whole world, it secures every citizen’s rights and dignity. I like it because there is no discrimination based on religion or caste or skin color in the constitution. But in new India, under the leadership of Modi Government, The constitution loses it’s diversity. I am just shocked by hearing the Political leaders of Indian specially of BJP Leaders.

  • Few minutes ago, I was watching some videos on Facebook and Youtube and I am really shocked and surprised to know that in foreign country basically in European and American countries people donate foods and clothes to the poor people. I am not shocked because of that, in our country there are thousands of places where people can get free foods and clothes like in Mosque, Temple. I am shocked because poor people can get fresh foods and clothes out there. Now I really want to confess a truth, In Bangladesh our mentality is to give the worst things to the poor people even in the matter of donation. It is true that we have a cheap mentality in the matter of donation. We have to change it. We must think, we have nothing in our hands. We neither poor not rich, We have to do our duties and helps others. There is no guarantee that one year after you still rich. Money just changes hands. Help others and one day they will help you.

  • It’s a representation of an Imaginary Country Budget for a year. May be it is a better budget system in my analysis.

    Here all the sectors are given below:

    • Government 1%
    • Intelligence 3%
    • International Affairs 3%
    • Veteran 4%
    • Energy and Environment 5%
    • Housing & Community 5%
    • Transportation 5%
    • Research 7%
    • Food & Agriculture 7%
    • Medical 8%
    • Education 8%
    • Social Security , Unemployment and Labor 9%
    • Military 10%
    • Reserve & Others 12%
    • Industry 13%

    Here is the HTML Code for the live demonstration:

    https://bigcrunch.io/v/8u7yqYgtfHH424ZV92mpBm

  • আমাদের পৃথিবী এই মহাবিশ্বের তুলনায় খুবই ছোট, সেখানে পৃথিবীর সাথে তুলনা করলে আমাদের বাংলাদেশ ও অনেক ছোট একটি দেশ। তবে আমাদের সাহস অতুলনীয়। আজ এই মহান দিনে আমি আপনাকে আমাদের দেশটি কীভাবে পেলাম তা এক মিনিট ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করছি। আপনি যদি সেখানে থাকেন তবে আপনি কি করতেন? কোন মানুষের কাছে পরিবার-পরিজনকে ছেড়ে দেশের জন্য নিশ্চিন্তে লড়াই করা সহজ কাজ ছিল না। এবার আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ভাবুন। তারা কীভাবে এ কাজটি করেছিল। সত্যিই এটা একটা দুর্দান্ত সাহসী চিন্তাভাবনা। নিজের মধ্যে অগাদ দেশ প্রেম এবং জাতীয়তা বোধ না থাকলে দেশের জন্য যুদ্ধ করার কথা ভাবাও যায় না। আমরা তো সেই বীর সূর্যসন্তানদের থেকেই এসেছি। তাদের রক্ত তো আমাদের শরীরেই বইছে। আমরা কি পারি না একটু সচেতন হয়ে লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত সুন্দর বাংলাদেশকে দূষণমুক্ত রাখতে ? চলুন আজ এই মহান দিনটিতে আমরা একটা শপথ নেই, “আমাদের দিয়ে যদি বাংলাদেশ দূষণমুক্ত না হয় কোন বেপার না, কিন্তু আমাদের দিয়ে যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আর দূষিত না হয়। দোকান থেকে চকলেট কিনে সেটার প্যাকেট রাস্তায় না ফেলে নিজেদের পকেটে রাখি, যেন সেটা পরবর্তীতে ডাসবিনে ফেলতে পারি।” আমাদের দ্বারা কি এটাও সম্ভব না? চলুন পরিবর্তনের শুরু করি আজ থেকে। আজ মহান ১৬ই ডিম্বেবর!!!

    #বিজয়দিবস
    #পরিবর্তনেরশুরু
    #১৬ইডিম্বেবর
    #cleanBD

  • কথায় বলে ইহজগতে কিছুই ধ্রুবও নয়, এমন কি হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা সত্যের ক্ষেত্রেও এটা সত্য। সময়ের সাথে তাল রেখে নিয়ম বদলায়, ধারনা বদলায়, চিন্তা ভাবনা বদলায়, এমন কি মানুষ ও বদলায়, যেটার সত্যতা প্রমাণ করার জন্য আমার আর যাই হোক তর্ক করার দরকার নেই। আমাদের সমাজেই কিছু এমন মানুষেরাও থাকেন যাদের বছরের পর বছর পর্যবেক্ষণের ফলে তাদের মনে কিছু অনুসিধান্ত জন্ম লাভ করে, যেগুলা অবিনশ্বর। এসকল মানুষের শরীর নশ্বর হলেও অনুসিধান্ত গুলো অবিনশ্বর। এসকল অনুসিধান্ত এর নীতিগত সঠিকটা নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্নের উদয় হবে এটাই স্বাভাবিক। অনুসিধান্ত ঠিক হোক কি ভুল হোক, এ অনুসিধান্ত গুলো সমাজের মধ্যে একজন শিক্ষকের মতন দায়িত্ব পালন করে। মানুষের কিছু নৈতিক মূল্যবোধ থাকে যে গুলা মানুষ সবসময় পালন করে আসে। যদিও সকল মানুষ যে নিজস্ব কিছু মূল্যবোধ থাকে এবং তারা যে এগুলা সবসময় মেনে চলে এমন টা ভাবা বোকামির কাজ হবে। মানুষের মধ্যে চারিত্রিক দৃঢ়তা তার মূল্যবোধ পালনের কঠোরতার সমানুপাতিক।

  • I do believe in God. It’s my personal believe that God creates people to make experiments. I believe in it because God give us the power to think freely. I think also that God doesn’t know what human really do, He just assumes that what we are really going to do. He experiments on human. He knows all the possibilities. As like as God, Human makes experiments on computer. We don’t know the outcome. Computer is a box of opportunities. Use it as you like. But in the terms of computer , we really don’t know all the outcomes. It’s a endless opportunities.
    It’s totally my personal opinion.

  • বর্তমান যুগ হল অসত্যের যুগ , অনিয়মের যুগ , দুর্নীতির যুগ। এ যুগে যেমন কোন কাজ টাকা ছাড়া হয় না, তেমন প্রতিটি কাজের পেছনের রয়েছে এক কিংবা একাধিক স্বার্থ বা স্বার্থান্বেষী মহল। এখানে বলে রাখা ভালো আমি বাক্যের দ্বিতীয় অংশের উপর বেশি জোর দিতে চাচ্ছি। আসলে স্বার্থ ছাড়া মানব জাতি অচল। পৃথিবীর প্রতিদিনের কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করার মূল মন্ত্রই হল স্বার্থ। মানব সভ্যতার শুরুর থেকেই স্বার্থ নামক শব্দ টা ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে মানব ইতিহাসের সাথে। আমার নিজের কাছে স্বার্থ নামক বস্তুটা খারাপ কিছু বলে কখনই মনে হয় নি। যেহেতু কথাটা আমার তাই এর সপক্ষে যুক্তি দেয়ার গুরু-দায়িত্বটাও আমার উপর বর্তায়। প্রথমে স্বার্থের প্রকারভেদ বর্ণনা করলে হয়ত যুক্তিটা দাঁড় করানো আমার পক্ষে সহজ হবে। ব্যাক্তিগত , পারিবারিক , সামাজিক কিংবা রাষ্ট্রের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করার অপর নামই হল স্বার্থ। ব্যাক্তির কাছে অন্য আর চার-পাঁচটা সাধারণ জিনিসের মত, স্বার্থের দ্বন্দ্বে ব্যাক্তিগত স্বার্থই প্রাধান্য বেশি পায়, আর এখানেই হল গণ্ডগোল। এটার জন্য স্বার্থের কথা বললেই মানুষের মাথায় খারাপ এক চিন্তার উদ্ভব ঘটে। রচনার শুরুতেই বর্তমান যুগকে অসত্যের যুগ , অনিয়মের যুগ , দুর্নীতির যুগ বলে দাবি করার কারণই হল ব্যাক্তিগত স্বার্থের প্রাধান্যতা। আমরা যদি রাষ্ট্র > সামাজিক > পারিবারিক > ব্যাক্তিগত ভাবে স্বার্থের প্রাধান্য ঠিক করতে পারি, তাহলে আমরা বর্তমান যুগ থেকে বের হয়ে আসতে পারব। আমাদের বৃহতরও অর্থে স্বার্থের চিন্তা করা শিখতে হবে। আমার পূর্ণ বিশ্বাস আমরা এটা পারব। কারণ আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। বৃহতরও অর্থে স্বার্থের চিন্তা করতে পেরেছি বলে আমরা আজ স্বাধীন। বৃহতর স্বার্থের জয় হোক।।

  • সামাজিক-মুখোস কথাটার সাথে আমরা ততটাও পরিচিত নই যতটা না আমরা আমাদের সামাজিক জীবনে এটার ব্যবহার করি কিংবা দেখতে পাই। সমাজে সকলের কাছে নিজের যা আছে বা নিজে যা,এটা শত-সহস্র গুন বাড়িয়ে বলা বা দেখানোর জন্য রূপক অর্থে ব্যবহৃত মুখোসই হল সোশ্যালমাস্ক। অন্যভাবে বলতে গেলে Fake Behavior ই হল সোশ্যালমাস্ক। নিজেরা যতই খারাপ হই না কেন পাশের বাসার অ্যান্টিি থেকে শুরু করে আঙ্কেলের অফিসের পিয়নের মনে যেন আমাদের সম্পর্কে ভালো এক ধারনা জন্ম নেয় তার জন্য সোশ্যালমাস্ক দরকার। কিন্তু সোশ্যালমাস্ক কি আমাদের আসলেই দরকার? কথাটার ভাল ও খারাপ দুইটা দিকই যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত। আমাদের সমাজের বিজ্ঞ মানুষগণ যে সহজেই এর খারাপ জিনিস গুলকে চিহ্নিত করে আয়তাধিন করতে পারবে এ বিষয়ে আমি পুরপুরি নিশ্চিত। সুতরাং লেখনীর সংক্ষেপণের জন্য শুধু এর ভাল দিক গুলার উল্লেখ করছি।

    • সোশ্যালমাস্ক আছে বলেই পাশের বাসার অ্যান্টিি আমাদের উপরে এখনও Police case করে নি।
    • সোশ্যালমাস্ক আছে বলেই সমাজে এখনও corporate types job টিকে আছে।
    • সোশ্যালমাস্ক না থাকলে, সহ্য শক্তি ছাড়া যেকোনো ধরনের সম্পর্ক টিকে থাকার বিষয়ে সন্ধ্যেয়ের অবকাশ থাকত না।
    • সোশ্যালমাস্ক না থাকলে, সমাজে আদর্শিক এবং অনুকরণীয় চরিত্র খোঁজার জন্য সৎ ও নিষ্ঠাবান তদন্ত কমিটি গঠন করা লাগতো। 
    • হয়ত সোশ্যালমাস্ক না থাকলে সমাজে তথাকথিত উন্মাদ এবং কম উন্মাদ অর্থাৎ তথাকথিত সভ্য মানুষের মধ্যে পার্থক্য বলতে কিছু থাকত না।

      পরিশেষে একটা কথাই বলতে চাই, 

    #BeWhatYouAre!

Design a site like this with WordPress.com
Get started