• University তে Senior শব্দটার মানেই যেন বদলে যায়, খুব বেশি আপন মনে হয় শব্দটা। যেকোনো প্রয়োজনে যাদের কথা প্রথমে মনে আসে, Senior রা তাদের মধ্যে অন্যতম। যারা Varsity তে পড়েছেন/পড়ছেন তারা খুব সহজেই এটা অনুভব করতে পারবেন।আজ একটু অন্য প্রসঙ্গে কথা বলি। Varsity তে নতুন Junior আসলে, Senior দের মনে অন্য এক অনুভুতির কাজ করে এটা অস্বীকার করতে পারব না। কারণ এটা মানব জাতির খুব স্বাভাবিক একটা বৈশিষ্ট্য। Senior ও Junior এর মধ্যে একটা ভাল সম্পর্ক গড়ে উঠতেই পারে, হতে পারে এটা ভাল বন্ধুতের সম্পর্ক, ভালোবাসার সম্পর্ক ইত্যাদি, ইত্যাদি… এটাতে কারো কোন আপত্তি থাকার কথা না।কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন এদের মধ্যে কেউ সম্পর্কের Limit অতিক্রম করা শুরু করে। ধরুন, একজন Junior , Senior এর সাথে আর কথা বলতে চাচ্ছে না। সে Senior কে বোঝানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু Senior তাকে অনবরত Knock দিয়ে যাচ্ছে, রীতি মতন Disturb করা শুরু করে দিয়েছে। এখন সে তাকে কোন ভাবে Avoid ও করতে পারছে না, Because he/she is his/her senior! এখন Just একবার Junior এর Mental Situation এর কথাটা ভেবে দেখেন। সে এটা কাউকে বলতেও পারছে না, আবার সহ্য ও করতে পারছে না। সে কি নিষ্ঠুর এক মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে! এটাকে Harassment না বলে আর কি বা বলা চলে?এই ঘটনা শুধু University তেই ঘটে এমনটা না, কর্মক্ষেত্র/ চাকরিক্ষেত্র/ এমন কি আত্মীয়স্বজন দের মধ্যে ও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। শুধু সম্মানের খাতিরে কেউ কাউকে এগুলা বলতে পারে না। এসব লিখে আমি হয়তো কারও মানসিকতা পরিবর্তন করতে পারব না জানি, আমি শুধু চাই সবাই যেন এই বিষয়ে একটু সচেতন থাকুক, হতে পারে সেই মানসিক যন্ত্রণার সহ্য করা মানুষটি আপনারই বোন, ভাই অথবা কাছের কেউ। আমি এখনও বিশ্বাস করি সমাজে খারাপ লোকের থেকে ভাল লোকের সংখ্যাটাই বেশি। সবাই ভাল থাকবেন, সচেতন থাকবেন।

  • কাল কোন একটা দেশের, কোন একজন সাংবাদিকের একটা সাক্ষাত্কার দেখছিলাম। তিনি খুব চিন্তার একটা বিষয় নিয়ে কথা বললেন। তিনি বললেন,
    “আমি প্রায় প্রতিদিনই একটা ধর্মীয় প্রার্থনালয়ে যেতাম, আমার প্রার্থনা করতে। একদিন আমি দেখলাম আজ খুব বড় একটা অনুষ্ঠান হচ্ছে, কিন্তু আমি জানতাম আজ ধর্মীয় কোন উৎসবের দিন নয়। যথারীতি কৌতূহলবসত আমি অনুষ্ঠান বিষয়ে অন্যদের কাছের থেকে জানতে পারলাম, ঘটনাটা কি! এটা আর কিছুই না বরং একজন খুব বড়পদধারী সরকারি চাকুরীজীবী তার অনেক আকাঙ্ক্ষিত জায়গায় বদলি হওয়ার প্রার্থনা করেছিলেন এখানে, আজ তার মনের বাসনা পূর্ণ হয়েছে, তাই এত বড় আয়োজন।”
    বিষয়টা নিসন্দেহে খুব উদ্বেগজনক, প্রার্থনালয়ে মানুষ সবসময় ভাল কিছুর জন্য প্রার্থনা করতে যায় এমনটা নয়। মাঝে মাঝে এর ব্যতিক্রমও ঘটতে পারে।

  • For me…. I get out from my bed everyday… Because I won’t miss my mother’s special tea, her smiles when she makes something special for me, my home made coffee(not so special), arguments with my father about politics and religion, the sound of my beloved Ranit and Rangon(my nephews), the small talks with my friends and relatives who actually care for me, reading of my favourite novel to get surprised and shocked, to see the beauty of the nature surrounding me and changing daily, to feel the rainy day, the sunny day, the coldest day and the hottest day, to help people as far as I can, to listen some of my favourite music’s, to do my favourite projects that I really want to make, to use google for thousands reasons, to know the unknown, to see the unseen, to image the unimaginable,…. To become my best ever version daily!

    There are trillions of reasons for me to get out of my bed everyday morning.

    Please, find your reasons… Life will be more beautiful!

  • পৃথিবীর ইতিহাসে সব থেকে রহস্যময় ও বিস্ময়কর বিজ্ঞানী ছিলেন Nikola Tesla যিনি সত্যি বলতে পুরো আধুনিক পৃথিবীরটা আমাদের দিয়ে গেছেন । আপনি হয়তো অনেক কিছু জানেন না তাঁর আবিষ্কার সম্পর্কে । যার ছিল ৩০০ টির বেশি আবিষ্কারের প্যাটেন্ট এবং তাঁর আবিষ্কার গুলো ছিল সময়কে ছাপিয়ে গিয়ে সে সময় থেকেও অনেক অনেক আধুনিক যা বর্তমান যুগেও আধুনিক হিসাবে বিবেচিত হয় । তাঁর এমনও আবিষ্কার ছিল পৃথিবী ধ্বংস করার ক্ষমতা ছিল কিন্তু মানব কল্যাণের জন্য তিনি সেই আবিষ্কার গুলোকে নষ্ট করে দেন ।

    জানিনা মিডিয়া কেন তাঁকে নিয়ে খুব একটা লেখে না । কিন্তু তাঁর সম্পর্কে জানার পর তাঁকে সমস্ত বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে হয়েছে । কারণ Nikola Tesla ই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি যা চিন্তা করতেন তাই ই তৈরি করে দেখাতে পারতেন, এই জন্য অন্যান্য বিজ্ঞানীরা তাঁকে ইতিহাসের সবথেকে পাগলাটে বিজ্ঞানী বলে আখ্যা দিয়েছিলো ।

    জন্ম, শৈশব এবং শিক্ষা:

    Nikola Tesla জন্মই ছিল রহস্যময় । প্রচণ্ড প্রতিকূল আবহাওয়া ও বজ্রপাতের রাতে ১৮৫৬ সালে ৯ জুলাই এবং ১০ জুলাইয়ের মাঝে রহস্যময়ভাবে ঠিক রাত ১২ঃ০০ টাতে তাঁর জন্ম হয় ক্রয়োশিয়াতে। তাই তাঁর জন্ম তারিখ ২ টি বলা হয়ে থাকে । তবে Wikipedia তে কনফিউশন এড়াতে ৯ ও ১০ জুলাই ই এর পরিবর্তে ১০ জুলাই লেখা হয়েছে । খারাপ আর ভয়ঙ্কর আবহাওয়াতে জন্ম বলে মানুষ তাঁকে “Child of Darkness” বলেছিল । কিন্তু তাঁর মা বলেছিলেন সে একদিন পৃথিবীকে আলোকিত করবে , তাই তাঁকে তাঁর মা “Child of Light” বলতেন ।

    বাস্তবেও কিন্তু তাই হয়েছিল । তাঁর আবিষ্কৃত AC বিদ্যুৎ পুরা পৃথিবীকেই আলোকিত করেছে এবং আমাদের আধুনিক একটা পৃথিবী দিয়েছে ।

    Nikola Tesla এর পিতা তাঁকে ধর্ম যাজক বানাতে চেয়েছিলেন এবং পাঠিয়েও দিয়েছিলেন ধর্মযাজক দের কাছে । কিছুদিন পর কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু পথ থেকে বেঁচে আসেন এবং পারিবারিক ভাবে তাঁকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর পরিকল্পনা করা হয় ।

    স্কুলে / কলেজে সে তাঁর প্রতিভার বিস্ময় দেখাতে শুরু করলেন । বড় বড় ত্রিকোনামিতিক ক্যালকুলাস তিনি খাতা কলম ছাড়াই ব্রেইনে চিন্তা করেই উত্তর বলে দিতেন । সে এতোটাই মেধাবি ছিলেন যে কলেজের শিক্ষকরা তাঁর বিস্ময়কর মেধা দেখে তাঁর বাবাকে চিঠি দিত ।

    Engineering পড়ার সময়ে এক শিক্ষকের সাথে তাঁর কোন একটা বিষয় নিয়ে দ্বিমত হয়। পরে সে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা lab এ কাজ করে প্রমান করেন যে তাঁর ধারনাই সঠিক । এই ঘটনা কলেজে ছড়িয়ে পড়লে তিনি সকলের কাছেই আরও বেশি বিস্ময়কর ছাত্র হয়ে ওঠেন । তখন ও তাঁর বিস্ময়কর আবিস্কার শুরু হয়নি ।

    1884 সালে Nikola Tesla আমেরিকা পারি জমান । সাথে ছিল ৪ টি কাপড় আর শুধু পরিচয় পত্র আর সাথে Thomas Edison কে লিখা একজনের একটা চিঠি যেটা নিকলা টেসলাকে বলা হয়েছিল Thomas Edison কে পৌঁছে দিতে । সেই চিঠিটাতে লিখা ছিল
    আমি পৃথিবীতে দুইজন জ্ঞানী লোকে চিনি, একটা তুমি (Edison) এবং অপরটি তোমার সামনে দারিয়ে Nikola Tesla.

    AC-DC War (Tesla vs Edison):

    Edison তাঁর কোম্পানিতে Nikola Tesla কে নিয়োগ করেন এবং ডিসি জেনারেটর পুনরায় ডিজাইন করার জন্য তাঁকে $50000 দেবেন বলে ঘোষণা দেন । Nikola Tesla প্রচণ্ড পরিশ্রম করে সফল হন । কিন্তু Edison, Nikola Tesla কে কোন টাকাই দেননি এবং বলেন “It’s a Joke.”

    এর মাঝেই Nikola Tesla আবিস্কার করেন সব থেকে বিস্ময়কর আবিষ্কার যা সারা পৃথিবীকে বদলে দিয়েছিল । আর সেটি হল AC বিদ্যুৎ বা Alternating Current .

    Edison এর DC বিদ্যুৎ দিয়ে মানুষ শুধু আলো পাবার চিন্তা করত ।
    কিন্তু Nikola Tesla এর আবিষ্কৃত AC দিয়ে সব কিছু করা সম্ভব এটা মানুষ বুঝতে পারে ।

    Nikola Tesla এডিসনকে DC এর পরিবর্তে AC ব্যবহার করতে বলেন । এতে এডিসন ক্রিপ্ত হন । এবং টেসলা তাঁর কোম্পানি থেকে আলাদা হয়ে Tesla Electric Company নামে নতুন একটি Company প্রতিষ্ঠা করেন ।

    এসি বিদ্যুতের খুব শিগ্রই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে । কারন এসি ছিল অত্যন্ত পাওয়ারফুল এবং কম খরচে পাওয়া যেত এবং শিল্প কারখানার কাজেও একমাত্র ব্যবহার উপযোগী ।

    এদিকে Edison এর ডিসি বিদ্যুতে বাবসা প্রায় শেষ । এডিসন নিকোলা টেসলাকে থামাতে স্থায়ীয়ও বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে কুকুর, বিড়াল চুরি করে রাস্তায় রাস্তায় ক্যাম্প বানিয়ে সেগুলো কে AC বিদ্যুতে শক দিয়ে জন সম্মুখে হত্যা করে মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করতে লাগলেন । একজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকেও AC দিয়ে হত্যা করার জন্য প্রশাসনকে বোঝান ।

    এই ঘটনা গুলো ঘটিয়ে মানুষের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে এডিসন নিকোলা টেসলার কোম্পানিকে চরমভাবে আর্থিক বিপর্যয়ে ফেলে এবং একসময় নিকোলা টেসলা এসি বিদ্যুতের প্যাটেন্ট বিক্রি করে দেন । প্যাটেন্ট বিক্রির $60000 দিয়ে তিনি নতুন নতুন আবিস্কারের পেছনে কাজে লাগান ।

    কিন্তু মানুষ পরবর্তীতে ঠিকই এসি বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারে । এবং পুরা শহরে AC বিদ্যুতের জন্য একটি কোম্পানি এডিসনের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে বরাদ্দ করে ।

    এটি ছিল এডিসনের জন্য চরম লজ্জাজনক । তিনি করবেন না বলে জানিয়ে দেন । সেই জন্য এডিসনের কোম্পানির অন্যান্য শেয়ার হোল্ডাররা এডিসনের কোম্পানি থেকে এডিসনকেই বের করে দেয়।

    মানব কল্যাণে Nikola Tesla এর যুগান্তরকারী আবিষ্কার গুলো :

    300 এর বেশি আবিস্কারের প্যাটেন্ট ছিল এই মহান বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার । এছাড়াও অনেক আবিস্কারের প্যাটেন্টই গ্রহন করেননি । আর অনেক আবিষ্কারের আইডিয়া চুরি করে অনান্য বিজ্ঞানীরা নিজের বলে চালিয়েছিল । নিকোলা টেসলার একমাত্র বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি যা চিন্তা করতে তাই ই তৈরি করে দেখাতেন । আবিষ্কারই ছিল তাঁর নেশা ।

    1. AC Electricity :

    এই সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে । এসি বিদ্যুৎ আবিষ্কার না হলে আমরা অন্ধকার পৃথিবীতেই থাকতাম । আর পৃথিবীতে এত শিল্প বিপ্লব হত না ।

    2. Radio :

    মারকনির রেডিও আবিস্কারের কয়েক বছর আগেই নিকোলা টেসলা রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন । এবং রেডিও তরঙ্গও তাঁর গবেষণার কাজেও ব্যবহার করেছিলেন । 1943 সালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট সত্যটা জানার পরে মারকনির রেডিও প্যাটেন্ট বাতিল ঘোষণা করে নিকলা টেসলাকে রেডিও আবিষ্কারক হিসাবে ঘোষণা করে । কিন্তু একবছর পর প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় মারকনি প্যাটেন্টটি নিজের নামে বহাল রাখতে সক্ষম হয়েছিল ।

    3. Remote, Robot and Guided Missile System :

    নিকোলা টেসলা রিমোটে প্রযুক্তি এর জনক ছিলেন । তিনি একটি খেলনা নৌকাকে দুর নিয়ন্ত্রিত ভাবে চালাতে গিয়ে একসাথে ৩ টি আবিষ্কার করে ফেলেন । ১. পৃথিবীর সর্বপ্রথম রিমোট , ২.পৃথিবীর সর্বপ্রথম রোবট ৩.পৃথিবীর সর্বপ্রথম গাইডেড মিসাইল সিস্টেম ।

    4. Wireless Electricity :

    নিকোলা টেসলা এমন একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন , কোন তাঁর ছাড়াই বিদ্যুৎ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে পাঠাতে যেত । তিনি তখনকর সময়ে একজন নামকরা বাবসায়ীর থেকে ফান্ড নিয়ে তৈরি করে 187 ফুট উঁচু একটি Tesla Tower যেখান থেকে তাঁর ছাড়াই বিদ্যুৎ পাঠানো যাবে এবং তিনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে সারা পৃথিবীকে বিদ্যুৎ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ।

    তিনি পুরা পৃথিবীকেই একটা conductor হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন । এবং সার্থকও হয়েছিলেন । কিন্তু প্রোজেক্টির কাজ শেষ হবার আগেই বিনিয়োগ কারীরা হঠাৎ করেই টাকার জোগান দেয়া বন্ধ করে দেয় । কারন বিদ্যুৎ কোম্পানি গুলো ভয়ে ছিল যদি সারা পৃথিবীতে ফ্রিতে বিদ্যুৎ দেয়া হত অনেক কোম্পানিই দেউলিয়া হয়ে যেত । আবিষ্কারটি হারিয়ে গেছে । না হলে আজ আমরা তাঁর ছাড়াই ফ্রিতে বিদ্যুৎ পেতাম ।

    5. Induction Motor :

    শিল্প ক্ষেত্রে Induction Motor এর ভুমিকা কেমন সেটা আর নতুন করে বলার কিছু নাই।

    6. Tesla Coil :

    বর্তমান যুগের Wifi technology মূলত টেসলার এসব আবিষ্কার থেকেই বিবর্তিত হয়ে এসেছে । তাঁর আবিষ্কার সম্পর্কে লিখে শেষ করতে পারব না । আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার যেমন :

    7. Violet Ray

    8. TeleForce

    9. Neon Lamp

    10. Wireless Telegraphy

    11. Three phase Electric power

    12. Tesla Turbine

    13. Tesla valve

    14. Vacume Variable Capacitor

    15. shadowgraph

    16. Free Energy ***

    17. Tesla Experimental

    18. Tesla’s Columbus

    19. Resonant inductive coupling

    20. Polyphase system

    21. Rotating magnetic field

    22. Radio control

    23. Plasma globe

    24. Violet ray

    25. Carbon button lamp

    26. Telegeodynamics

    27. Teleoperation

    28. Torpedo

    29. Vacuum variable capacitor

    30. VTOL

    আরও অনেক অনেক আবিষ্কার …… যা এই পোস্টে বলে শেষ করা যাবে না ।

    কিছু জিনিসের আবিষ্কার মূলত Nikola Tesla ই করেছিলেন । কিন্তু আবিস্কারক হিসাবে তাঁর ক্রেডিট নাই এবং কিছু আবিষ্কার নাক্কার জনক ভাবে কিছু বিজ্ঞানী চুরি করে নিজের নামে করেছিলেন ।

    1.Radio
    2. X-ray
    3.Hidro Electric Power
    4.Rader System

    ইতাদি ইতাদি ……

    এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিস্কারের অনেক আগেই নাকি নিকোলা টেসলা ল্যাবে বাল্ব জালিয়ে কাজ করতেন ।

    Nikola Tesla এর কয়টি অতি বিস্ময়কর এবং ভয়ঙ্কার আবিষ্কার:

    Nikola Tesla এর কিছু আবিষ্কার ছিল যে গুলো পৃথিবী ধংসের ক্ষমতা রাখতে পারতো । কিন্তু মানব কল্যাণের স্বার্থে তিনি নিজের হাতেই তৈরি করেই টা নষ্ট করেছিলেন । আর কয়টি আবিষ্কার তিনি
    অর্থাভাবে করতে পারেন নি ।

    1. Earthquake Machine :

    1893 সালে নিকোলা টেসলা এমন একটি মেশিন তৈরি করেন যা দিয়ে বড় মাত্রার ভুমিকম্প তৈরি করে ফেলেছিলেন । এটি মূলত ছিল একটি Oscillator । যার নাম দিয়েছিলেন Tesla Oscillator.
    এবং তিনি অনুভব করেছিলেন তাঁর যন্ত্রটিকে যদি খুব বড় পরিসরে তৈরি করা হয় পুরা পৃথিবীতে ভুমিকম্প সৃষ্টি করা যেতে পারে ।
    মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে তিনি নিজের হাতে হাতুরি দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছিলেন । এবং আবিষ্কারটিও হারিয়ে যায় ।

    2. Artificial Tidal Wave :

    সমুদ্রে বিশাল ক্রিত্তিম ঢেউ তৈরির প্রযুক্তি আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন যা সুনামি তৈরি করতে সক্ষম ছিল এবং যা দিয়ে শত্রু পক্ষের জাহাজকে সেই ঢেউতে ডুবিয়ে দিতে পারতো ।

    3. Thought Camera :

    নিকোলা টেসলা সেই সময়েই এমন একটি ক্যামেরা তৈরির কথা বলেছিলেন যা মানুষের চিন্তা শক্তি থেকে ডাটাতে কনভার্ট করে সেই গুলোকে দেখা যাবে একটি স্ক্রিনে, এমন একটি প্রোজেক্ট । কিন্তু তিনি আর্থিক কারনে প্রোজেক্ট করতে পারেননি । সম্ভব হলে মানুষের কোন কিছুই আর গোপন থাকতো না ।

    4. Electric-Powered Supersonic Airship :

    তিনি এমন একটি Airship এর কথা বলেন যার গতি হবে এতই বেশি মাত্র ৩ ঘণ্টায় New York City এ যেতে London পারবে । কিন্তু এই আবিষ্কারটির সমস্ত মডেল , ডকুমেন্ট মৃত্যুর পরে হারিয়ে যায় ।

    5. Philadelphia Experiment / Project Rainbow / teleportation:

    এটি ছিল World War 2 এর সময়ের একটি প্রোজেক্ট । আমেরিকার নৌবাহিনী জাহাজ অদৃশ্য করে শত্রু বাহিনীর চোখ ফাকি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই প্রোজেক্ট এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো নিকোলা টেসলাকে । সেই প্রোজেক্ট এ নিকোলা টেসলার অধীনে আলবার্ট আইন স্টাইনকেও টিম মেম্বার করা । নিকোলা টেসলা ছোট একটি boat এর ক্ষেত্রে সার্থক হয়েছিলেন । নিকোলা পুরোপুরি অদৃশ্য করে ফেলেন সেটিকে । কিন্তু এই পরীক্ষাটি করে সফল হওয়ার পর কিছু ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর নিকোলা টেসলা প্রোজেক্ট থেকে অব্যাহতি নেন এনং তিনি নিষেধ করেছিলেন আইনস্টাইন সহ বাকি যে মেম্বরদেরকে যাতে এই বড় জাহাজ এর ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাটি না করা হয় । কিন্তু তাঁর পরেও পরীক্ষাটি করা হয়েছিলো জাহাজে কয়েকজন স্ক্রুসহ । পরে জাহাজটি অদৃশ্য হয়েছিল ঠিকই কিন্তু জাহাজে অবস্থিত স্ক্রুদের বিগলিত লাশ, কেউ কেউ মানুষিক ভারসাম্যহীন , এবং কাউকে জাহাজের দেয়ালে অর্ধেক শরীর ঢুকে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায় । নিকোলা টেসলা কিন্তু আগে থেকেই এর ভয়াবহতা কল্পনা করেছিলেন ।

    6. Anti Gravity Flying Matching :

    ১৯১১ সালে New York এর একটি মাগাজিনকে বলেন নিকোলা টেসলা আরও একটি Flying Matching নিয়ে কাজ করছিলেন যেটি দেখতে (UFO) এর মত হবে এবং যেকোন দিকে যেকোন গতিতে ছুটতে পারবে ।এটি আকাশে ওড়ার সময় গ্রাভিটি শুন্য হয়ে পড়বে ।
    এবং বাতাসে স্থির অবস্থায় রাখা যাবে । কিন্তু এই মেশিনটিতে না থাকবে কোন পাখা না থাকবে কোন উইংস ।

    7. Time Matchine :

    নিকোলা টেসলা একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি time machine নিয়ে কাজ করেছিলেন সবার প্রথম । অনেকেই মনে করেন তিনি টাইম মেশিন তৈরি করে ফেলেছিলেন ।

    8. Death Ray/ Death Beam :

    Nikola Tesla এর যে কয়টি ভয়াবহ আবিষ্কারের কথা বলে ছিলেন তাঁর মধ্যে একটি ছিল Death Ray . এটি এমন একটি যন্ত্র যা ২৫০ মাইল দূর থেকে ১০ হাজার যুদ্ধ বিমানকে এক সাথে ধংস করে দেয়ার ক্ষমতা রাখতে পারতো এবং যে কোন যুদ্ধকে শেষ করে দিতে পারতো । অনেকে বলেন তিনি এই যন্ত্রটি তৈরিও করে ফেলেছিলেন । কিন্তু এটি দিয়ে মানুষ পৃথিবী ধ্বংস করে দেবে চিন্তা করে এই যন্ত্র টিকেও তিনি নষ্ট করে ফেলেন ।

    তাঁর ল্যাবে একাধিকবার আগুন লেগে অনেক আবিষ্কারের ডকুমেন্টই পুরে গেছিলো ।এরকম বিস্ময়কর আবিষ্কারের জন্য অনেক বিজ্ঞানীই মনে করতেন Nikola Tesla এর সাথে এলিয়েনদের যোগাযোগ রয়েছে এবং তাঁদের সাথে কাজও করেন । সত্যি বলতে তাঁর সম্পর্কে জানার পর আমার নিজের কাছেও তাঁকে এলিয়েন মনে হয়েছিলো ।নিকোলা টেসলার পৃথিবী ধ্বংসের যন্ত্র আবিষ্কারের কথা শুনে আমেরিকা তাঁর সব নথী জব্দ করেছিল । কিন্তু নিকোলা কাজ করেছিলেন মানুষের কল্যাণে ।

    7 জানুয়ারি 1943 সালে পৃথিবীর এই মহান বিজ্ঞানী করোনারি থ্রম্বসিস এ মারা যান । তবে ধারনা করা হয় তিনি অবসেসিভ কম্পলসিভ ডিসঅর্ডার নামে পৃথিবীর এক বিরল রোগে আক্রান্ত ছিলেন । এটা একটা মানুষিক রোগ । যে রোগে আক্রান্ত হলে মনে হয় “সে নিজে যা করছে সেটা সঠিক ভাবে করতে পারছে না”

    তাঁর জন্মের মতই মৃত্যুটাও অদ্ভুত ছিল । মারা যাবার দিন তাঁর ঘরের দরজায় লিখা ছিল “Don’t disturb Me

    নিকোলা টেসলা মৃত্যু বরেন করেন অনেকটা মানসিক কষ্ট নিয়েই ।
    তিনি পৃথিবীতে আরও কিছু দিতে চেয়েছিলেন । কিন্তু তাঁর আবিষ্কারের পেছনে পরবর্তিতে আর কেউ বিনিয়োগ করে নি কারন তাঁর আইডিয়া গুলো এতটাই তখনকার সময়ে এতটাই আধুনিক ছিল, যে বিনিয়োগ কারীরা বিশ্বাস করতে পারতো না । তাই তিনি কষ্ট নিয়েই বলেছিলেন “এই পৃথিবীতে মানুষ আমাকে বিশ্বাস করেনা ।”

    তাঁর মৃত্যুর পর সমস্ত আবিষ্কারের ডকুমেন্ট রহস্যজনক ভাবে হারিয়ে যায় ।

    অনেকেই মনে করেন তাঁর আবিষ্কারের ডকুমেন্ট হারিয়ে যায়নি ।আমেরিকা এখনও নতুন নতুন আবিষ্কার করেই চলছে নিকোলা টেসলার ওই সব ডকুমেন্টের ওপর ভিত্তি করে । ধারনা করা হয় এরিয়া-51 এ তাঁর রেখে যাওয়া ডকুমেন্ট এর ওপর এখন ও গবেষণা করা হয় ।

    USA যেটাকে এলিয়েন স্পেসশিপ (UFO) বলে বিশ্ববাসীদের কাছে বলে আসছে সেটা নাকি আসলে আমেরিকার তৈরি নিকোলা টেসলার দেয়া সেই স্পেসশিপটির মডেল ।

    আবার যে মেশিনটি দিয়ে হাইতি দ্বীপে যে বিশাল ক্রিত্তিম ভূমিকম্প তৈরি করা হয়েছিলো সেটাও নাকি নিকোলা টেসলার আবিষ্কৃত ভূমিকম্প মেশিনের মডেল থেকে তৈরি করা হয়েছিলো।

    ১৯০৮ সালে নাকি প্রাথমিক ভাবে Death Ray এর পরীক্ষা কালে Tunguska নদীর পাশে (Siberian Russia.) ৮০ বর্গ মাইল বনাঞ্চল ধ্বংস করা হয়েছিলো যা যার ধ্বংস ক্ষমতা পারমাণবিক বোমার থেকে ভয়াবহ ছিল ।

    তবে নিকোলা টেসলা মানুষের কল্যাণে জন্য এই সব ধংসাত্তক প্রযুক্তি নিজের হাতেই নষ্ট করে ফেলেছিলেন । হয়তো পরবর্তীতে হয়তো USA তাঁর লিখিত ডকুমেন্ট থেকে আবার তৈরি করেছিল । তবে নিশ্চিত ভাবে কেউ বলতে পারে নি ।

    মিডিয়া যেসব বিজ্ঞানীদেরকে দু একটি ধ্বংসাত্মক আবিষ্কারের জন্য এবং একটি নোবেল পুরস্কারের জন্য সারা বিশ্বের কাছে সেরা বিজ্ঞানী হিসাবে তুলে ধরেছে এক সময় তাঁরাও নিকোলা টেসলাকে গুরু হিসাবে সম্মান করত । নাম বললাম না ।

    অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সাথে নিকোলা টেসলার তুলনা চলে না, শুধু এই টুকুই বলা যায় তাঁরা শুধু থিওরি আকারে তাঁদের আবিষ্কার গুলোকে প্রকাশ করতেন সেখানে নিকোলা টেসলা বাস্তবে তৈরি করে দেখাতেন এবং তাঁর প্রত্যেকটা আবিষ্কারই ছিল অন্যান্য বিজ্ঞানী থেকে অনেক বিস্ময়কর । নিকোলা টেসলাকে বলা হয় “The Wizard of Electricity” কিন্তু তিনি ছিলেন আসলে “The King of all Scientists” এবং তাঁর আবিষ্কারই পৃথিবীটাকে আধুনিক করেছে । নিকোলা টেসলা তাঁর জীবনের অর্জিত সমস্ত সম্পদ আবিষ্কারের পেছনে ব্যয় করেছিলেন।

    পৃথিবী আজ নিকোলা টেসলাকে প্রায় ভুলে গেছে । কিন্তু পৃথিবী মানুষ গুলো খুব ভাগ্যবান যে এমন একজন জ্ঞানী পৃথিবীতে এসে সব কিছু আলোকিত করে দিয়েছিলেন ।

    বিজ্ঞানের জয় হোক, বিজ্ঞানীদের জয় হোক!!

    #Collected #Source: https://en.wikipedia.org/wiki/Nikola_Tesla

  • We are proud Bangali Nation!! ছোট থেকেই এই কথাটা শুনে শুনে বড় হয়েছি। হয়ত সেই সময় এগুলো মনেপ্রাণে বিশ্বাস ও করতাম। বিশ্বাস করবো নাই বা কেন? আমরাই একমাত্র জাতি যারা ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি। নিজেদের প্রতি অবহেলার প্রতিবাদে ১৯৬৬ সালে ৬ দফার দাবি তুলেছি। আমরাই একমাত্র জাতি যারা সশস্ত্র বিপ্লব করে মাত্র নয় মাসের মধ্যেই নিজের দেশটাকে স্বাধীন করেছি। কিন্তু এটাই কি আমাদের দেশের গৌরবময় ইতিহাসের শেষ। আমাদের জাতি হিসেবে বার্থতাও কিন্তু কম নয়। মাত্র ৪৯ বছরের সল্প সময়ে বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার সামরিক অভ্যুত্থানের সম্মুখীন হয়েছে।

    ১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থান সমূহঃ

    ১৫ই আগস্টঃ বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর কিছু নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের অভ্যুত্থান পরিচালনা করে। তাদের নেতৃত্বে ছিল মেজর শরীফুল হক (ডালিম) যে কিনা ছিলেন বীর উত্তম, মেজর সৈয়দ ফারুক রহমান এবং মেজর রশিদ। এই অভ্যুত্থানের ফলে মৃত্যুবরণ করেন দেশটির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, তার পুরো পরিবার (দুই মেয়ে শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা জার্মানিতে অবস্থানের কারণে বেঁচে যান) এবং কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা।

    ৩রা নভেম্বরঃ মেজর ফারুক, মেজর রশিদ এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ-এর গড়া সরকার আরও একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫-এ ক্ষমতাচ্যুত হয়। এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম।

    ৭ই নভেম্বরঃ ৩রা নভেম্বরের অভ্যুত্থানে খালেদ মোশাররফ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটাতে চেয়েছিলেন। তাই মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে তার নিজ বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখেন। কর্নেল (অবঃ) আবু তাহের সে সময় চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলেন। কর্নেল তাহের ছিলেন জিয়াউর রহমানের একজন বিশেষ শুভাকাংখী। তিনি সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। সৈনিক-অফিসার বৈষম্য তার পছন্দ ছিল না। তার এই নীতির জন্য তাহের সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকদের মাঝেও দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন। কর্নেল তাহের বিশ্বাস করতেন জিয়াও তারই আদর্শের লোক। ৩রা নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর তাহের জানতে পারেন জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়েছে। তিনি ঢাকাতে তার অনুগত ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহীদের বিদ্রোহের নির্দেশ দিয়ে তৎক্ষণাৎ চট্টগ্রামে থেকে ঢাকা রওনা হন, এ সময় তার সঙ্গী ছিল শত শত জাসদ কর্মী। কর্নেল তাহেরের এই পাল্টা অভ্যুত্থান সফল হয় ৭ই নভেম্বর। কর্নেল তাহের, জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসেন। পাল্টা এই অভ্যুত্থানে ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যরা জেনারেল খালেদ মোশাররফকে হত্যা করে।

    ১৯৭৭-১৯৮০ সালের সামরিক অভ্যুত্থান সমূহঃ

    জেনারেল জিয়াউর রহমান তার পাঁচ বছরের শাসনামলে প্রায় ২১টি অভ্যুত্থানের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ২১টি অভ্যুত্থান থেকে বেঁচে গেলেও ২২তম অভ্যুত্থানে তিনি মৃত্যুবরন করেন।

    ১৯৮১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানঃ

    প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে ৩০শে মে, ১৯৮১-তে এই ক্যু সংঘঠিত হয় দেশের দক্ষিণের বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। রাষ্ট্রপতি জিয়ার প্রধান সেনাপতি এরশাদের ষড়যন্ত্রে একদল আর্মি অফিসার দ্বারা সংঘটিত এই ক্যুয়ের দায় চাপানো হয় জেনারেল মঞ্জুরের উপর। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য ঢাকা থেকে ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুল হাসানকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে পাঠিয়ে মঞ্জুরকে ক্যান্টনেমেন্ট বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয় বলে লরেন্স লিফশ্যুলজ দাবী করেন।

    ১৯৮২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানঃ

    জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২৫শে মার্চ, ১৯৮২-তে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে পদচ্যুত করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা দেন। এই সামরিক শাসন ১৯৯৬ পর্যন্ত কার্যকর ছিল ।

    তারপর আবার এক-এগারো ২০০৭(১১ জানুয়ারী,২০০৭) তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছরের জন্য ক্ষমতা দখল।।

    আমাদের দেশের জন্মের পর এত ক্ষুদ্র সময়কালে ২৩ বছরের জন্য সামরিক শাসন আর যাই হোক দেশের ইতিহাসের জন্য কোন গর্বের বিষয় নয়। আমাদের এই ক্ষুদ্র ইতিহাস নিয়ে কি আমরা আদয় গর্ববোধ করি ?

  • Did you know that when Einstein gave some lecture at the numerous US universities, the recurring question that students asked him was:- Do you believe. In God? And he always answered:- I believe in the God of Spinoza. The one who hadn’t read Spinoza stayed in the same… I hope this gem of history, serves you as much as it does me: “Baruch de Spinoza” was a Dutch philosopher considered one of the three great rationalists of the 17th century philosophy, along with the French Descartes. Here’s some of him. This is the God or nature of Spinoza: God would have said: Stop praying and punching yourself in the chest! What I want you to do is go out into the world and enjoy your life. I want you to enjoy, sing, have fun and enjoy everything I’ve made for you. Stop going to those dark, cold temples that you built yourself and say they are my house! My house is in the mountains, in the woods, rivers, lakes, beaches. That’s where I live and there I express my love for you. Stop blaming me for your miserable life; I never told you there was anything wrong with you or that you were a sinner, or that your sexuality was a bad thing! Sex is a gift I have given you and with which you can express your love, your ecstasy, your joy. So don’t blame me for everything they made you believe. Stop reading alleged sacred scriptures that have nothing to do with me. If you can’t read me in a sunrise, in a landscape, in the look of your friends, in your son’s eyes… You won’t find me in any book! Trust me and stop asking me. Will you tell me how to do my job? Stop being so scared of me. I do not judge you, I criticize you, nor get angry, or bother, or punishment. I am pure love. Stop asking for forgiveness, there’s nothing to forgive. If I made you… I filled you with passions, limitations, pleasures, feelings, needs, inconsistencies… free will. How can I blame you if you respond to something I put in you? How can I punish you for being the way you are, if I’m the one who made you, Do you think I could create a place to burn all my children who behave badly for the rest of eternity? What kind of god can do that? Forget any kind of commandments, any kind of laws; those are wiles to manipulate you, to control you, that only create guilt in you. Respect your peers and don’t do what you don’t want for yourself. All I ask is that you pay attention in your life, that your alert is your guide. My beloved, this life is not a test, not a step, not a step in the way, not a rehearsal, nor a prelude to paradise. This life is the only thing here and now and all you need. I have set you absolutely free, no prizes or punishments, no sins or virtues, no one carries a marker, no one keeps a record. You are absolutely free to create in your life heaven or hell. I couldn’t tell you if there’s anything after this life, but I can give you some advice. Live as if there is no. As if this is your only chance to enjoy, to love, to exist. So, if there’s nothing, then you will have enjoyed the opportunity I gave you. And if there is, rest assured that I won’t ask if you behaved right or wrong, I’ll ask. Did you like it? Did you have fun? What did you enjoy the most? What did you learn?… Stop believing in me; believing is assuming, guessing, imagining. I don’t want you to believe in me, I want you to feel in you. I want you to feel me in you when you kiss your beloved, when you tuck your little girl, when you cares your dog, when you bath in the sea. Stop praising me, what kind of egomaniac God do you think I am? I’m bored being praised, I’m tired of being thanked. Feeling grateful? Prove it by taking care of you, your health, your relationships, the world. Feeling looked at, shocked?… Express your joy! That’s the way to praise me. Stop complicating things and repeating as a parakeet what you’ve been taught about me. The only thing for sure is that you are here, that you are alive, that this world is full of wonders. What do you need more miracles for? Why so many explanations? Don’t look for me outside, you won’t find me. Find me inside… there I am beating on you. Spinoza.

    #copied

  • কিছুই ভালো লাগে না। খুব প্রচলিত একটা শব্দ, তাই না! আমাদের জেনারেশনে এমন কোন মানুষ নেই যে ভালো লাগে না শব্দগুলি জীবনেও একবারের জন্য হলেও বলে নি। যদি কখনো জিজ্ঞাসা করা হয় কেন ভালো লাগে না, উত্তর আসে- জানি না। কখনো কখনো ভালো না লাগা এমন কি রীতিমতো ডিপ্রেশন , তারপর ফ্রাস্ট্রেশনের রুপ নেয়। চলুন তাহলে দেখা যাক আমাদের ভালো না লাগার ইতিবৃত্তান্ত!

    Happiness = Reality – Expectation

    আমাদের জেনারেশনের জীবন নিয়ে কিছু প্রত্যাশা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের আগের প্রায় প্রতিটি জেনারেশনের কিছু না কিছু প্রত্যাশা ছিল। প্রত্যাশা না থাকলে মানুষ আদিম জীবন ছেড়ে আজ তথাকথিত অতি আধুনিক জীবনে আসতে পারতো না। কিন্তু আমাদের সমস্যা কি জানেন? আমরা অতি প্রত্যাশায় বিশ্বাসী, কাজে নয়। আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানিরা সেই ১৯৩০ দশকের মানুষ ছিলেন, যারা কিনা গ্রেট ডিপ্রেশনের সময়টায় বড়ো হয়েছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখেছেন। তাদের জেনারেশনের সকল আশা আকাঙ্ক্ষা দু’বেলা দুমুঠো খাওয়ার মধ্যেই কেন্দ্রীভূত থাকতো। তাদের কাছে জীবন মানেই ছিল তীব্র সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা। আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্ম অর্থাৎ আমাদের বাবা মা জন্মেছেন পঞ্চাশ-ষাটের দশকে। সমৃদ্ধ ও স্থায়ী ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখতে দেখতে তাঁরা বড়ো হয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা ছিল নিজের একটা বাড়ি, বাগান, আর বেশ কিছু শখ পূরণের জন্য আর্থিক স্বাবলম্বিতা। এদিকে সত্তর-আশি-নব্বই দশক পেরিয়ে যেতেই পৃথিবীর অর্থনীতি অভূতপূর্ব সমৃদ্ধির মুখ দেখলো। তাঁরা তাঁদের প্রত্যাশার চেয়ে উন্নত জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট ও আশাবাদী হয়ে উঠলো। তারপর, তথাকথিত এই অতি আধুনিক যুগের মধ্যে আগমন ঘটলো আমাদের প্রজন্মের, যাদের আকাঙ্ক্ষা আকাশচুম্বী। ছোটবেলা থেকে যারা দারিদ্রতা দেখেনি, জীবনের কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়নি, দু’দিন না খেয়ে থাকতে কেমন লাগে অনুভব করেনি, তারা উচ্চাকাঙ্খি হবে এটাই স্বাভাবিক। উচ্চাকাঙ্খা করা কোন দোষের কিছু না। কিন্তু আমরা যেমন আকাঙ্ক্ষার ফল পেতে উগ্রিব, আকাঙ্ক্ষা অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষেত্রে তেমনি নির্বিকার। আমাদের মনে হয় আলাদীনের প্রদীপের জীন এসে ম্যাজিকের মতন আমাদের সব আকাঙ্ক্ষার অবসান ঘটাবে। কিন্তু জীবন কোন আরব্য উপন্যাসের গল্প নয়। আমাদের জেনারেশনের চাহিদার কোন শেষ নেই, আরও চাই, আর আর। আমাদের যেটা আছে সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকলে ভালো লাগে না বলা ছাড়া কোন উপায়ই আর অবশিষ্ট থাকবে না।

    আমাদের জেনারেশনের আরও একটি সমস্যা হল সুপিরিয়োরিটি কমপ্লেক্স। আমাদের  জেনারেশনের সবাই নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা আর স্পেশাল ভাবে। কিন্তু সবাই যদি অসাধারণ হয়, তাহলে অসাধারণ কথাটার মানে কী থাকলো! আমার এই লেখা পড়তে পড়তে আপনি হয়ত আমার সাথে একমত হবেন কিন্তু প্ররোক্ষণেই ভাবেন আপনি সত্যিই অসাধারণ! সমস্যাটা আসলে এখানেই। আমাদের আধুনিক বিশ্বে তথাকথিত সুপারম্যান, আয়রনম্যান, থরের মতন চরিত্র দেখতে দেখতে আমাদের মজ্জার মধ্যে সুপিরিয়োরিটি বিষয়টি ঢুকে গিয়েছে। নিজেকে অন্যদের থেকে বিশেষ কিছু ভাবা দোষের কিছু না। কিন্তু আমাদের বাস্তবতাটাও শিকার করে নিতে হবে। আমরা রুপকথার কোন রাজপুত্র কিংবা রাজকন্যা নই এটাও মানতে হবে, না হলে ভালো লাগে না আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক।

    আমাদের অতি আধুনিক যুগের নিত্যদিনের সঙ্গী “সামাজিক মাধ্যম” এর কথা এখানে না বলেই নয়। এটাই হয়তো আমাদের ভালো না লাগার মূল কারণ। বিশেষ করে “ফেসবুক” এগুলার মধ্যে অন্যতম। তিল কে তাল বলে উপস্থাপন করার মধ্যম হিসেবে এটার জুরি মেলা ভার। কে কোথায় গিয়েছে, কে কি খেয়েছে, কে কি কিনেছে, কে কার সাথে ছবি তুলেছে, কে কাকে নিয়ে কি লিখেছে, কারা পোস্টাতে লাইক দিয়েছে, কারা পোষ্টা দেখেও লাইক দেয়নি… এগুলার শেষ নেই। সামাজিক মাধ্যমগুলার তৈরির মূল উদ্দেশ্য হল পরস্পরের সাথে সম্পর্ক আর ভালো করা, যার কিনা এগুলার মধ্যমেই দিন কে দিন অবনতি হচ্ছে। কেউ কোন অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। শোনা যায় চিরপরিচিত শব্দ “ধুর, আর ভালো লাগে না”। সামাজিক মাধ্যমের জন্য সম্পর্ক নষ্ট হওয়া আজ নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আধুনিক যুগের আশীর্বাদের এগুলা না চালিয়েও উপায় নেই। এগুলা ব্যবহার করা দোষের কিছু না। কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে সামাজিক মাধ্যম গুলো যেন আমাদের বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম হয়ে না দাঁড়ায়। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে একটু সতর্ক থাকলেই আমাদের হয়ত ভালো লাগে না বলা খানিকটা হলেও কমে আসবে।

    ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রফেসর পল হার্ভি এ বিষয়ে বলেন, “এই জেনারেশনের এক্সপেক্টেশন বিভ্রান্তিকর অবাস্তব, কোনো রকম নেগেটিভ ফিডব্যাক সহ্য করার ক্ষমতা তাদের নাই। নিজেদের নিয়ে আকাশ কুসুম কল্পনায় অভ্যস্ত তারা। যোগ্যতার বড়াই ও অতিরিক্ত প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতা না মিললে তারা হতাশার অন্ধকারে ডুবে যায়। নিজেদের সামর্থ্য ও যোগ্যতার চেয়ে অনেক বেশি সম্মান, পারিশ্রমিক ও মনোযোগ আশা করে তারা, বিনিময়ে কঠোর পরিশ্রম করার কোনো ইচ্ছে তাদের নেই। তাই এক্সপেক্টেশনের সঙ্গে তাদের রিয়েলিটি কখনোই মিলে না।”

    হার্ভি মনে করেন, এই জেনারেশনকে চাকরির ইন্টারভিউতে প্রশ্ন করা উচিত, “তুমি কি তোমার ক্লাসমেট ও কলিগদের চেয়ে নিজেকে সুপিরিয়র মনে করো? কেনো মনে করো?” তিনি বলেন, প্রথম প্রশ্নের উত্তরে ক্যান্ডিডেট যদি হ্যাঁবোধক উত্তর দেয়, কিন্তু দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে বলার মতো কিছু খুঁজে না পায়, তাহলে বুঝতে হবে সুপিরিয়োরিটি কমপ্লেক্সে ভুগছে সে। ছোটো বেলা থেকে নিজেকে অসাধারণ বলে বিশ্বাস করে এসেছে বলে অতিরিক্ত আত্মসম্মান বোধে আচ্ছন্ন হয়ে আছে সে। নিজেকে অসাধারণ মনে করার পেছনে কোনো কারণ না থাকলেও এই নিয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করলে আঁতে ঘা লাগে তার।

    পরিশেষে বলতে চাই, উচ্চাকাঙ্ক্ষী থাকো কারণ বর্তমান পৃথিবীটা উচ্চাকাঙ্ক্ষীদের জন্যে ভালো জায়গা। তবে আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যে তোমাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।

    নিজেকে অসাধারণ বা স্পেশাল কেউ ভাবার কোন কারণ নেই। সত্যি বলতে, তুমি স্পেশাল কেউ নও। তুমি শুধু একজন অনভিজ্ঞ তরুণ কিংবা তরুণী। পৃথিবীকে এখনো তেমন কিছু দিতে পারো নি তুমি। তবে, তোমার পক্ষে স্পেশাল হয়ে ওঠা সম্ভব। অনেক বছরের কঠোর পরিশ্রম তোমাকে সত্যি সত্যি অসাধারণ মানুষ করে তুলবে।

    নিজের কাছে যেটা ঠিক মনে হয় সেটাই করো। সামাজিক মাধ্যম কে এত বেশি গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই। একাগ্র চিত্তে তোমার পছন্দের কাজ করতে থাকো। তাহলে দেখবে ভালো লাগে না বলার দরকারই পরবে না।

    Reference: https://www.huffpost.com/entry/generation-y-unhappy_b_3930620?guccounter=1&guce_referrer=aHR0cDovL2l0c29rYXliZC5jb20vdmFsbGFnZS1uYS1nZW5lcmF0aW9uLWJ5LWZhcmFoLw&guce_referrer_sig=AQAAADzVvdjRtOt4FMbwRv1ou4CVlBeT69Lb5GgE0OY7bGhR3xeVE3T7zO8xefMmY7kb14YhmWy8_H0t1k8DtOZIpgZpuzzLICjXxPebphAxoBBn6U9s1dC4fShFd4FYQWZd_JvIYriFmU7wwh50CI1FUtF3rzC_2ihmlSvSDWjbR9G-

  • সত্যজিৎ রায়: বহু প্রতিভাবান প্রতিভাআমি সচরাচর কাউকে নিয়ে তেমন একটা লিখিনা, হয়তো লেখালেখির প্রতিভা আমার ধাঁতে তেমন একটা নেই। কিন্তু আজ না লিখে পারছি না। আজ যার কথা বলছি তিনি যেমন একাধারে চলচ্চিত্র নির্মাতা তেমনি চিত্রনাট্যকার , কথাসাহিত্যিক , প্রকাশক , চিত্রকর , সংগীত রচয়িতা , চলচ্চিত্র সমালোচক , ক্যালিগ্রাফার, গীতিকার এবং লেখক। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একজন হিসাবে ব্যাপকভাবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। সত্যজিৎ রায়ের(২ মে ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল ১৯৯২) নাম শোনেন নি এমন লোক বাংলার মাটিতে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমাদের অনেকের জীবনে অনেক ব্যর্থতার পর সফলতা আসে। কিন্তু সত্যজিৎ রায়ের প্রথম ছবি, পথের পাঁচালী (১৯৫৫), ১৯৫৬ সালের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে উদ্বোধনী সেরা হিউম্যান ডকুমেন্ট অ্যাওয়ার্ড সহ এগারোটি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার জিতেছে। সত্যজিৎ রায়ের নির্মিত চলচিত্র গুলির মধ্য দিয়ে নিরভেজাল আনন্দের স্বাদ পাওয়া যায় । তিনি বাংলার চলচিত্র নির্মাণের রূপরেখাই পালটে দিয়েছিলেন। তার চলচিত্র গুলো শুধু এই বাংলায় নয়, বরং সারা বিশ্বেই তখন আলোড়ন তৈরি করে ছিল। তার নির্মিত চলচিত্র গুলোর মধ্যে অপরাজিতা , আপুর সংসার , আগন্তুক , সোনার কেল্লা , গুপি গাইন বাঘা বাইন , হীরক রাজার দেশে , গুপি বাঘা ফিরে এলো আমার খুব বেশি পছন্দের। শুধুই কি চলচিত্র, সত্যজিৎ রায়ের রচিত কিছু কালজয়ী চরিত্র আজ মানুষের মনে গভীর দাগ কেটে যায়। ফেলুদা , প্রোফেসর শঙ্কু , তারিণী খুড়োর মতন নিখুঁত চরিত্রগুলো আজ ও অনেকের কাছে সত্যি বলে মনে হয়। সত্যজিৎ রায়ের আরও একটি বিশেষগুণ হল, তার চলচিত্রের বেশির ভাগ গান ও গানের সুর তার সৃষ্টি। এমন কি তখনকার খুব বিখ্যাত “সন্দেশ” পত্রিকায় প্রকাশিত তার গল্প গুলোর প্রচ্ছদ চিত্র তার নিজের সৃষ্টি। সত্যি বলতে গেলে তাঁর চলচ্চিত্র, তাঁর বই, তাঁর স্কেচ, চরিত্র, তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে তিনি পুরো এক বিশ্বজগৎ তৈরি করেছেন। তাঁর অর্জিত অসংখ্য পুরস্কারের মধ্যে চলচিত্রে ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকে পুরষ্কার (১৯৮৪) , ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কার (ভারতরত্ন – ১৯৯৯), ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মান (অফ লেজন অফ অনার), জীবনকাল অর্জনের জন্য সম্মানসূচক অস্কার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে বলতে গেলে বলা কখনই শেষ হবে না। শুধু একটা কথা বলতে চাই , তাঁর মতন মানুষ প্রতি যুগে নয় , বরং শতাব্দীতে একবার জন্ম নেয়। আজ তাই সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে সামান্য কিছু কথা লিখলাম। শুভ জন্মদিনে, ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’।

  • ২০১৫-তে Node.js বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পায়। আমাদের দেশে সে হাওয়া এসে লাগে ২০১৭-তে। সবাই তখন জাভাস্ক্রিপ্টের নামে জিকির তুলেছি। ফুলস্ট্যাক জাভাস্ক্রিপ্ট, আহা! ব্যাকএন্ড থেকে মোবাইল (React Native), ডেস্কটপ (Electron) থেকে মেশিন লার্নিং (TensorFlow.js), সব জায়গায় জাভাস্ক্রিপ্ট!

    ২০১৮-তে এসে সবাই বুঝতে শুরু করলাম, নাহ্‌, পাইথন হল নতুন হটনেস! ডেটাই ফিউচার! শুরু হল চোখ বন্ধ করে পাইথন আর ডেটার পেছনে দৌড়। ম্যাথ ঘৃণা করি, কিন্তু স্বঘোষিত ডেটা সায়েন্টিস্ট! ওয়েব (Django) থেকে মেশিন লার্নিং, আইওটি থেকে গেমস্‌, পাইথন সব পারে! সবাই পাইথন শিখো, পাইথন!

    এখন এসেছে Flutter বা Dart। জানেন ভাই, এটাই ফিউচার! এটাই ভবিষ্যতের ক্রস-প্ল্যাটফর্ম ইউআই! আর কি লাগে?! এখন তো শুনছি পাইথন নাকি স্লো! আচ্ছা Golang নাকি খুব ফাস্ট?! জাভাস্ক্রিপ্ট তো অতীত, এখন শুধু TypeScript চলে! জাভা-ডটনেট তো ডায়নোসর, আর ওদিকে পিএইচপি-রুবি ডেড, প্লীজ এগুলো শিখতে বলবেন না!

    আচ্ছা ভাই Rust কেমন হবে?! নাকি .NET Core দেখবো?! আচ্ছা বাদ দেন, Swift নাকি Kotlin বলেন! শুনলাম Elixir ইদানীং নাকি পালে হাওয়া পাচ্ছে?! ভাই অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং তো আর কেউ করে না, ফাংশনালের জন্য কি Haskell ঠিক হবে?! এদিকে তো কোয়ান্টাম কম্পিউটার আসছে, নাকি Q#-টাই শিখবো?

    “সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং শিখুন, ডেটা স্ট্র্যাকচার আর অ্যালগোরিদম জানুন। লোকাল সেক্টরে ডিমান্ড আছে এমন যেকোন একটি ল্যাংগুয়েজ লম্বা সময় ধরে ভালোভাবে শিখে সেটা দিয়ে কয়েকটি কমপ্লেক্স প্রজেক্ট বানান, আর নিয়মিত প্র্যাক্টিস করুন।”

    কি যে বলেন ভাই, দেশে কি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ভাত আছে নাকি?! বিদেশ যাবো, বিদেশ! আর ডেটা স্ট্রাকচার-অ্যালগোরিদমের কোর্স করেছিলাম ভার্সিটিতে, একদমই ভালো লাগে নাই। এসব শিখতে পারবো না! কোন্‌ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ আর ফ্রেমওয়ার্ক শিখবো সেটা বলেন! দ্রুত টাকা চাই, দ্রুত…

    “সফটওয়্যার কিভাবে বানাতে হয় সেটা না শিখে শুধুমাত্র ট্যুলগুলো আয়ত্ত করেই উপার্জনে ঝাঁপিয়ে পড়ার কারণে পৃথিবী জুড়ে আজ কোটি কোটি প্রোগ্রামার আছে, কিন্তু ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লাখখানেকও নেই। আমাদের দেশে ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে মোটামোটি রেয়ার ব্রীডই বলা যায়।”

    #CopiedFrom Ronal Fahad

  • আজ কাল নতুন প্রজন্মের মধ্যে একটা কথা অনেক বেশি শোনা যায়, সেটা হল ‘Passion’। আপনি প্রায়ই শুনে থাকবেন যে কেউ বলছে, বন্ধু তুই তোর Passion follow কর, যেটা তোর ভাল লাগে সেটা কর। আবার অনেকে এমনও বলে, কোন কাজে যে আমার Passion সেটা খুজেই পাচ্ছি না। অনেক ক্ষেত্রে এটা সঠিক। আজ আমরা Passion নিয়ে আলোচনা করব। Passion আসলে কি? Passion তৈরি হয় কিভাবে? কে ঠিক করে দেয় কোনটা আপনার Passion? Passion কি বদলানো সম্ভব? Passion এর শাব্দিক বাংলা বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় গভীর আসক্তি বা প্রচণ্ড আবেগ। সহজ ভাবে বলতে গেলে যেই কাজ আপনার করতে অনেক ভাল লাগে, কাজটা করতে কখনো বিরক্ত হন না বরং মজা পান সেটাই আপনার Passion। কখন ভেবে দেখেছেন আপনার Passion তৈরি হয় কিভাবে? অনেকেই হয়তো এটা নিয়ে ভাবেন নি। অনেকেই বলতে পারেন মন থেকে কাজটা করতে ভাল লাগে এখানে এত ভাবার কি আছে? আসলে Passion একদিনে তৈরি হয় না। Passion তৈরি হওয়ার পেছনে একটা ধারা আছে। এখানে আমি তুমি করে বলছি, ধর তুমি একটা কাজ করছ, যেটা হয়ত তোমার করতে তেমন ভাল লাগে না। শুধু কাজের জন্য করা যাকে বলে। এখন তোমার এই কাজ দেখে অন্য কারো ভাল লাগল। সে তোমার প্রশংসা করল। তোমার ভাল লাগল। তুমি এখন সেই কাজ আর মন দিয়ে করলে। সবাই এটা দেখে তোমার প্রশংসা করল। এখন এই কাজের প্রতি তোমার একটা অনুরাগ জন্ম নিবে , যত দিন যাবে সেই কাজের প্রতি তোমার ভালবাসা আর বাড়তে থাকবে। এক সময় এই কাজটাই তোমার Passion হয়ে যাবে। এটা কিন্তু এমন না যে তোমার এই কাজে Passion ছিল বলে তোমার এ কাজ করতে ভাল লাগে বরং কাজটা তুমি করতে করতে এটাকে তোমার Passion বানিয়ে নিয়েছ। এখন তোমাদের কাছে আমার প্রশ্ন, তোমরাই বল Passion কি বদলানো যায়???

    এই বিষয় নিয়ে হঠাৎ করে আমার লেখার ইচ্ছা হয়েছে এমন না। এটার জন্য আমি ধন্যবাদ দিতে চাই Brain Station 23 এর CEO রাইসুল কবির ভাইকে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started